• <div id="fb-root"></div>
    <script async defer crossorigin="anonymous" src="https://connect.facebook.net/en_GB/sdk.js#xfbml=1&version=v4.0&appId=540142279515364&autoLogAppEvents=1"></script>
  • শিরোনাম

    অবসান হল ইয়াহু যুগের, কিনে নিল ভেরিজোন

    ডেস্ক | ২৭ জুলাই ২০১৬ | ১:৪৭ পূর্বাহ্ণ

    ১৯৯০-এর দশকে অনেকেরই মার্কিন বহুজাতিক সংস্থা ইয়াহু’র হাত ধরে ইন্টারনেট পরিচিতি হয়েছিলেন৷ খুঁজলে হয়ত অনেককেই পাওয়া যাবে যাঁদের ব্যক্তিগত ই-মেল অ্যাকাউন্ট এখনও ইয়াহুতেই রয়েছে৷ কিন্তু, দেখা যাবে এঁদের প্রায় প্রত্যেকের বয়সই এখন পঞ্চাশোর্ধ৷ এখনকার যুবা সম্প্রদায়ের কাছে ইয়াহু হারিয়ে যায় গুগল আসার পর। ২২ বছর পর সেই অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটেছে সোমবার৷

    মার্কিন মোবাইল সংস্থা ভেরিজোনকে নিজেদের মূল ইন্টারনেট ব্যবসা ৪৮৩ কোটি মার্কিন ডলারে (প্রায় ৩৯,০০০ কোটি টাকা) বিক্রি করে দেওয়ার চুক্তি করল ইয়াহু৷ এর পর ইয়াহুর হাতে এখন থাকবে কেবল চীনা অনলাইন বিপণন সংস্থা আলিবাবা গ্রুপ হোল্ডিংস এ তাদের ১৫ শতাংশ অংশিদারিত্ব এবং ইয়াহু জাপান এ অংশিদারিত্ব৷

    ইয়াহুর ব্যবসাকে ঘুরে দাঁড় করাতে ২০১২ সালে ইয়াহুর চিফ এগজিকিউটিভ অফিসার পদে নিয়ে আসা হয় গুগলের প্রথম মহিলা কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার মারিসা অ্যান মেয়ারকে৷ উল্লেখ্য, গুগলের সফলতম প্রডাক্ট, গুগল সার্চ এবং জিমে্ইল তৈরির ক্ষেত্রে মেয়ারের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ৷ মেয়ার -এর গুগল ছাড়ার খবরে সেই সময় গোটা ইন্টারনেট দুনিয়া জুড়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছিল৷ অনেকে এমনও মন্তব্য করেন, ‘গুগলের তুলনায় ইয়াহু’র ব্যবসা পড়তির দিকে এবং সেখানে যোগ দিয়ে ভুলই করছেন মেয়ার৷’

    সত্যিই মেয়ার পারেননি ইয়াহুর পতন রোধ করতে৷ গত পাঁচ মাস ধরে দর কষাকষির পর ভেরিজোন এর সঙ্গে ইয়াহুর ব্যবসা বিক্রির চুক্তি চড়ান্ত করে মেয়ার এ দিন ইয়াহুর কর্মীদের এক চিঠিতে লেখেন, ‘ইয়াহু এমন একটি সংস্থা যা বিশ্বকে বদলে দিয়েছে৷ ইয়াহু তৈরি হওয়ার আগে ইন্টারনেট শুধুমাত্র মার্কিন সরকারের একটি গবেষণার প্রকল্প ছিল৷ বিক্রি হয়ে যাওয়ার পরও আমি ব্যক্তিগতভাবে ইয়াহুতেই থাকতে চাই৷ আমি ইয়াহুকে ভালোবাসি, আমি ইয়াহুর প্রত্যেক কর্মীকে ভালোবাসি৷ তাই, এর পর ইয়াহুর ভবিষ্যত কোন খাতে বইবে সেটা দেখা আমার পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ৷

    ২০১৪ সালে ইয়াহুর এক অনুষ্ঠানে সিইও মারিসা মেয়ার

    ২০১৪ সালে ইয়াহুর এক অনুষ্ঠানে সিইও মারিসা মেয়ার

    ভেরিজোন -এর আগে ২০০৮ সালে ৪৪০০ কোটি মার্কিন ডলারে মাইক্রোসফ্টও কিনতে চেয়েছিল ইয়াহুকে৷ কিন্তু, ইয়াহু কর্তৃপক্ষ সেই সময় মাইক্রোসফ্টকে তাদের ব্যবসা বিক্রি করেনি৷ গত বছর জানুয়ারিতে চীনের ই-কমার্স সংস্থা আলিবাবায় তাদের ১৫ শতাংশ অংশিদারিত্ব একটি পৃথক সংস্থা তৈরি করে সেই সংস্থার হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে ইয়াহু৷ কিন্তু, ওই বছরই ডিসেম্বর মাসে সেই সিদ্ধান্ত বদলে ইয়াহুর সার্চ ইঞ্জিন, নিউজ ও অন্যান্য বিনোদন কনটেন্ট ব্যবসা বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নেয় সংস্থাটি৷ সেই মতো, গত এপ্রিলে ইয়াহুর মূল ইন্টারনেট ব্যবসা বিক্রির জন্য নিলাম শুরু হয়৷ ইয়াহুর ব্যবসা কেনার দৌড়ে গোড়া থেকেই এগিয়ে ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মোবাইল টেলিকম সংস্থা ভেরিজোন৷ উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে আরেক ইন্টারনেট সংস্থা এওএল -কে (আগের নাম, আমেরিকান অনলাইন লিমিটেড ) ৪৪০ কোটি মার্কিন ডলারে কিনে নেয় ভেরিজোন৷

    ইয়াহুর ব্যবসা কেনার পর ভেরিজোনের প্রডাক্ট ইনোভেশন অ্যান্ড নিউ বিজনেস-এর কর্তা মার্নি ওয়ালডেন বলেন, ‘ইয়াহুকে কেনার ফলে আমাদের ব্যবসার পরিধি এক ঝটকায় অনেকটা বেড়ে যাবে, সেটাই আমাদের লক্ষ্য৷ এর ফলে আমাদের গ্রাহক সংখ্যা শত কোটিতে পৌঁছবে৷ তখন আমরা গুগ্ল, ফেসবুক-এর মতো সংস্থাগুলিকে টেক্কা দিতে পারব৷’

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
     
    ১০১১১২
    ১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
    ২০২১২২২৩২৪২৫২৬
    ২৭২৮২৯৩০