• <div id="fb-root"></div>
    <script async defer crossorigin="anonymous" src="https://connect.facebook.net/en_GB/sdk.js#xfbml=1&version=v4.0&appId=540142279515364&autoLogAppEvents=1"></script>
  • শিরোনাম

    ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমুহের নাগরিকদের কি ফেরত আসতে হবে?

    ডেস্ক | ২৭ জুন ২০১৬ | ১২:০৮ এএম

    ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমুহের নাগরিকদের কি ফেরত আসতে হবে?

    ইউরোপীয় ইউনিয়নে থাকা না থাকা নিয়ে যুক্তরাজ্যে গনভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। গনভোটে ইউনিয়ন ছাড়া পক্ষে সংখ্যা গরিষ্ঠ ভোটার মত দিয়েছেন। এরফলে আগামী তিন মাসের মধ্যে ইউনিয়ন ছাড়ার বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়া শুরু করবে বৃটেন। ২০০৯ সালে লিসবন চুক্তি অনুসারে কোন দেশ ইচ্ছা করলে ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে যেতে পারে। লিসবন চুক্তির ৫০ অনুচ্ছেদে সে বিষয়ে পরিষ্কার ধারনা দেয়া আছে।

    লিসবন চুক্তির ৫০ অনুচ্ছেদে বলা আছে, ‘নিজ সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী যেকোনো সদস্য রাষ্ট্র জোট থেকে সরে যেতে পারে।’ এ অনুচ্ছেদে নির্দিষ্ট করা আছে যে, ছেড়ে যাওয়া রাষ্ট্রকে আগে ইউরোপিয়ান কাউন্সিলের কাছে বিষয়টি জানাতে হবে। এরপর এ নিয়ে একটি চুক্তিতে উপনীত হতে আলাপ-আলোচনা চলবে। আলোচনার মাধ্যমে ভবিষ্যতে ওই রাষ্ট্রের সঙ্গে ইইউ জোটের সমপর্ক কী হবে, তার আইনি ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত হবে। অপরদিকে ইইউতে, প্রস্থান প্রক্রিয়া অনুমোদনের জন্য বেশির ভাগ সদস্য রাষ্ট্রের সম্মতি প্রয়োজন হবে। পাশাপাশি ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের অনুমোদনও লাগবে।
    অনুচ্ছেদটিতে একমাত্র বিস্তারিত ধারাটি হচ্ছে, ছেড়ে যাওয়ার ইচ্ছা আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো দেশ কর্তৃক কাউন্সিলকে জানানোর দুই বছরের মধ্যে উভয় পক্ষের প্রস্থান সমপর্কিত চুক্তি সমপন্ন হতে হবে। যদি উভয় পক্ষ এ সময়সীমার মধ্যে চুক্তি করতে ব্যর্থ হয়, তবে ত্যাগকারী রাষ্ট্র কোনো প্রভিশন ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইইউ’র বাইরে চলে যাবে। তবে ইইউ’র সকল সদস্য রাষ্ট্র যদি একমত হয় যে, চুক্তির জন্য সমঝোতার সময়সীমা বাড়ানো উচিত, সেক্ষেত্রে সময়সীমা বাড়ানো যাবে।

    এবারই প্রথম কোন দেশ ইউনিয়ন ছেড়ে দিচ্ছে। যুক্তরাজ্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন ছেড়ে দিলে সে দেশে বসবাসকারী ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত অন্যান্য দেশের নাগরিকদের কি হবে? তাদের কি সে দেশ ত্যাগে বাধ্য করা হবে? এরকম হাজারো প্রশ্ন এখন সবার মনে।

    যুক্তরাজ্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন ছেড়ে দিলেও সম্পুর্ণরুপে সম্পর্কচ্ছেদ করতে সময় লাগবে দুই বছর। এ সময়ে সে দেশে বসবাসকারী ইউরোপের অন্যান্য দেশের নাগরিকরা কোন অসুবিধার সম্মুখীন হবেন না। পাশাপাশি ২০০৯ সাল থেকে যারা বৃটেনে বাস করছেন তাদের অনেকেই সে দেশের অভিবাসন আইনের আওতাভুক্ত হওয়ায় তাদের কোন সমস্যা হবে না।

    এ বিষয়ে বিশ্বের বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ব্রিটিশ নাগরিকত্ব গ্রহনের হার ২০০৯ সালের তুলনায় ২০১৬ সালে অনেক বেড়েছে। সে সুবিধা ভোগ করবেন তারা।

    যারা ব্রিটেনে দীর্ঘদিন ধরে বাস করছেন তারা স্থায়ী অভিবাসন সুবিধা ভোগ করবেন। এছাড়া যারা দক্ষ কর্মী হিসেবে কাজ করছেন তাদের জন্য কোন সমস্যা হবে না। পাশাপাশি দক্ষ জনশক্তির চাহিদা মেটানোর জন্য যারা ইতিমধ্যে যুক্তরাজ্যে গিয়েছেন তাদের ফেরানোর কোন পদক্ষেপ নিবে না ব্রিটেন সরকার। বিশেষ করে আবাসন ও রোস্তোরা খাতে প্রচুর কর্মী চাহিদা থাকায় তাদের সেখানেই থেকে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ব্রিটেন ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে গেলেও সেখানে অবস্থানরত বাংলাদেশীদের উপর কোন প্রভাব পড়বে না বলে জানা যায়।

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    তাজমহলের আয় কত?

    ২১ জুলাই ২০১৬

    রেমিটেন্সে ধস

    ০৫ মার্চ ২০১৭

    আর্কাইভ

    সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫
    ১৬১৭১৮১৯২০২১২২
    ২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
    ৩০৩১