• শিরোনাম

    গ্রীন কার্ডের ঝামেলা এড়াতে আমেরিকা ছেড়ে কানাডায় যাচ্ছেন অনেক ভারতীয়

    ডেস্ক | মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২০ | পড়া হয়েছে 140 বার

    গ্রীন কার্ডের ঝামেলা এড়াতে আমেরিকা ছেড়ে কানাডায় যাচ্ছেন অনেক ভারতীয়

    বুকে একরাশ স্বপ্ন নিয়ে মার্কিন মুলুকে পাড়ি জমানো। তারপর সাময়িক ভিসা নিয়ে সেখানে বছরের পর বছর কাটিয়ে দেওয়া। কিন্তু লক্ষ্য তো কাজের দুনিয়ায় হাত পাকিয়ে পাকাপাকিভাবে থাকতে চাওয়া। তার জন্য চাই ‘গ্রিন কার্ড’।

    সরকারি পরিভাষায় বললে, ‘পার্মানেন্ট রেসিডেন্ট কার্ড’। কিন্তু সেটা হাতে পেতেই কেটে যায় বছরের পর বছর। উপরন্তু, দীর্ঘ অপেক্ষার শেষে সবেধন নীলমণিটি আদৌ মিলবে কি না, তারও কোনও নিশ্চয়তা নেই।

    ফলে গ্রিন কার্ড নিয়ে মার্কিন সরকারের দীর্ঘসূত্রিতাকে দূষে বাধ্য হয়ে কানাডায় চলে যাচ্ছেন অভিবাসী ভারতীয়দের একাংশ।

    পরিসংখ্যান বলছে, ফি-বছর গড়ে প্রায় দু’হাজার ভারতীয় আমেরিকা ছেড়ে কানাডায় গিয়ে স্থায়ী সংসার পাতছেন। ভিসা নীতি নিয়ে ক্ষোভ তো রয়েছেই। তার উপর মোটা মাইনের চাকরির সুযোগ, নাগরিকত্ব নিয়ে টালবাহানা আর নিত্যদিনের দুশ্চিন্তার ইতি — কানাডাকে অনেক দিক থেকেই আমেরিকার চাইতে এগিয়ে রাখছেন দীনেশ দেশারির মতো অনেকেই।

    দীনেশের জন্ম হায়দরাবাদে। তারপর চাকরির টানে আমেরিকায় পাড়ি। সবকিছু সুন্দর এগচ্ছিল। কিন্তু তাঁর রাতের ঘুম কেড়ে নেয় ভিসা এক্সটেনশনের ঝক্কি। চাকরি জীবনে মোট ছ’বার এইচ-১বি ভিসা রিনিউ করান দীনেশ। এর মধ্যে নিশ্চয় গ্রিন কার্ড হাতে চলে আসবে। এমনটাই আশা করেছিলেন তিনি। কিন্তু সে গুড়ে বালি। কার্ডের মালিক হওয়ার স্বপ্নে কেটে যায় ১৪ বছর। অবশেষে বাধ্য হয়ে মেরিল্যান্ড থেকে টরন্টোয় চলে আসার সিদ্ধান্ত নেন দীনেশ। মানসিক দুশ্চিন্তা তো এর একটা দিক। কিন্তু গ্রিন কার্ডের প্রতীক্ষা যে কর্মক্ষেত্রেও প্রভাব ফেলে, সে বিষয়টিও মনে করিয়ে দিয়েছেন তিনি। এর জন্য একটি সংস্থা ছেড়ে অন্য সংস্থায় যাওয়ার ক্ষেত্রে প্রায়শই ঝামেলার মুখে পড়তে হয়। এমনকী উঁচু পদে উঠেও রেহাই মেলে না। চিরস্থায়ী নাগরিকত্বের প্রমাণপত্র না থাকায় অধস্তন কর্মীদের বিশ্বাস অর্জনের অসুবিধে আকছার দেখা দেয়। তাই সাতপাঁচ ভেবে চলতি বছর জুলাই মাসে দেশান্তরের সিদ্ধান্ত নেন দীনেশ।

    কানাডায় বাসা বাঁধা কি এতই সোজা? এ নিয়ে অভিবাসী ভারতীয় কর্মীদের আশ্বস্ত করেছেন অভিজ্ঞ ইমিগ্রেশন অ্যাটর্নি রাহুল রেড্ডি। তিনি বলেন, ‘কানাডায় আবেদনের পদ্ধতি খুব সহজ। অনলাইনে অ্যাপ্লিকেশন দাখিল করলেই ছাড়পত্র মেলে। এর জন্য ইমিগ্রেশন অ্যাটর্নির অনুমতি নেওয়ারও প্রয়োজন নেই।’

    বাংলাদেশ সময়: ২:২৭ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২০

    eurobarta24.com |

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ