• শিরোনাম

    কারখানা বিপর্যয়

    চকলেটের চাদরে ঢাকা সুইজারল্যান্ডের শহর

    ডেস্ক | বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২০ | পড়া হয়েছে 115 বার

    চকলেটের চাদরে ঢাকা সুইজারল্যান্ডের শহর

    করোনার আবহে জীবন থেকে হারিয়ে গিয়েছে বৈচিত্র্য। ঘরে-বাইরে আঁকড়ে ধরেছে অবসাদ। বাঁধা ফর্মুলায় কেটে যাচ্ছে জীবন। কোথাও এতটুকু চমক নেই।

    সোমবার রাতে এমনই দীর্ঘনিশ্বাস ছেড়ে দুয়ার এঁটেছিলেন অল্টেনবাসী। তারপর একঘুমে সকাল। কিন্তু, সাতসকালে দরজা খুলতেই চক্ষু চড়কগাছ! বাসিন্দারা দেখেন, রাস্তাঘাট থেকে শুরু করে বাড়ির কার্নিশ, ছাদ, ব্যালকনি, গাছপালা, মোবাইল টাওয়ার— সব আগাপাশতলা মুড়ে আছে চকোলেটের চাদরে! ছোটবেলায় ‘অ্যালিস ইন ওয়ান্ডারল্যান্ড’ পড়েছেন অনেকে। বিশ্বাসও করেছেন। তারপর বয়স বাড়তে রূপকথার কল্পনাকে ফুৎকারে উড়িয়েও দিয়েছেন।

    মঙ্গলবার সকালের ঘটনায় অল্টেনের বাসিন্দারা তাই দৃশ্যত হতভম্ব হয়ে পড়েন। পাশাপাশি অনেকের মনে দুশ্চিন্তাও জেগে ওঠে। করোনা-কালে এ আবার কোনও উটকো বিপদ নয় তো!

    যদিও বেলা গড়াতেই আসল রহস্য উদ্ধার হয়। স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, চকোলেট গুঁড়ো আসলে আকাশ থেকে ঝরে পড়েনি। শহরেরই একটি প্রসিদ্ধ চকোলেট তৈরির কারখানার ভেন্টিলেশন যন্ত্রে ত্রুটি হয়েছিল। সেখান থেকেই ছড়িয়ে পড়েছে ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র কোকোর দানা।

    সোমবার রাতে শহরজুড়ে দমকা বাতাস বইতে শুরু করে। আর ঠিক তখনই ওই ফ্যাক্টরির ভেন্টিলেশন সিস্টেম হঠাৎ করে অকেজো হয়ে যায়। ফলে কোকোর সূক্ষ্ম চূর্ণ বাতাসের তোড়ে ভাসতে ভাসতে ছড়িয়ে পড়ে শহরের আনাচে-কানাচে। কারখানায় কেয়ারটেকার না থাকায় বিষয়টি কেউ টেরও পাননি। পরদিন সকালে খবর পেতেই কারখানার লোকজন ছুটে আসেন।

    ভেন্টিলেশনের ব্যবস্থা মেরামতির পর কারখানার স্বাভাবিক কাজকর্মও ফের শুরু হয়েছে বলে খবর।

    যদিও অল্টেনের বাসিন্দাদের কেউই এহেন ‘বিপর্যয়ে’ এতটুকু চটে নেই। বরং, অবসাদের দিনে ঘণ্টাখানেকের জন্য হলেও শহরকে চকোলেটের চাদরে ঢাকা পড়তে দেখে বেশ উৎফুল্লই হয়েছেন তাঁরা।

    বাংলাদেশ সময়: ৭:৩১ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২০

    eurobarta24.com |

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ