• <div id="fb-root"></div>
    <script async defer crossorigin="anonymous" src="https://connect.facebook.net/en_GB/sdk.js#xfbml=1&version=v4.0&appId=540142279515364&autoLogAppEvents=1"></script>
  • শিরোনাম

    বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের সর্বোচ্চ উৎস অভিবাসন খাত

    ডেস্ক | ১৬ জুলাই ২০১৬ | ১১:১২ পিএম

    বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের সর্বোচ্চ উৎস অভিবাসন খাত

    অভিবাসন খাত এককভাবে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের সর্বোচ্চ উৎস হলেও এ খাতে বরাদ্দ মোট বাজেটের মাত্র শূন্য দশমকি ১৬ শতাংশ বলে জানিয়েছে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি।

    শনিবার রাজধানীর স্পেক্ট্রা কনভেনশন সেন্টারে ‘বাজটে ও শ্রম-অভবিাসন’ র্শীষক এক গোল টেবিল আলোচনায় এ তথ্য জানায় সংগঠনটি।

    আলোচনায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ডিবেটে ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমদে চৌধুরী কিরণ।

    তিনি বলেন, ‘বিজিএমইএ’র তথ্য অনুযায়ী ২০১৫ সালে পোশাক খাতে রপ্তানি আয়ের পরিমাণ ২৫ বিলিয়ন ডলার। কিন্তু তুলা, সুতা, কাপড়, কাঁচামাল ইত্যাদরি খরচ বাদ দিলে এ খাতে নিট রপ্তানি আয় দাঁড়ায় ১৩ বলিয়িন ডলার। অপরদিকে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে প্রবাসীদের প্রেরিত রেমিটেন্সের পরিমাণ ১৫ বিলিয়ন। এককভাবে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের সর্বোচ্চ উৎস হলো অভিবাসন খাত। কিন্তু এ খাতে চলতি বাজেটে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ৫৬০ কোটি টাকা। যা মোট বাজটেরে মাত্র শূন্য দশমকি ১৬ শতাংশ।’

    তিনি আরও বলেন, ‘২০১৩-১৪ অর্থবছরে প্রবাসীদের প্রেরিত অর্থের পরিমাণ ছিল ১ লাখ ১০ হাজার ৫৮২ কোটি টাকা। এই অর্থবছরে বাংলাদেশের বাজেটের আকার ছিল ১ লাখ ৯৮ হাজার কোটি টাকা। সে বছরের তুলনামূলক বিচারে মোট বাজেটের অর্ধেকেরও বেশি এসেছিল প্রবাসীদের প্রেরিত অর্থ থেকে। আবার ২০১৪-১৫ অর্থবছরে প্রবাসীদের প্রেরিত অর্থের পরিমাণ ছিল ১ লাখ ১৮ হাজার ৯৯৩ কোটি টাকা। ওই বছর বাজেটের মোট পরিমাণ ছিল ২ লাখ ৬৪ হাজার ৫৬৫ কোটি টাকা যা মোট বাজেটের প্রায় অর্ধেক। সর্বশেষ ২০১৪-১৫ অর্থবছরে প্রবাসীদের প্রেরিত অর্থের পরিমাণ ছিল জিডিপি’র ৭.৯ শতাংশ।’

    বাজেটে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ে শ্রম অভিবাসীদের অবদান স্বীকার করা হলেও কার্যত এ খাতের উন্নয়নের জন্য বাজেটে এর বরাদ্দ অপ্রতুল বলে উল্লেখ করেন চৌধুরী কিরণ।

    তিনি বলেন, ‘বিদেশি প্রায় ১ কোটি বাংলাদেশি কর্মরত আছেন। অথচ ফিলিপাইনের ৩৫ লাখ দেশের বাইরে অভিবাসন কাজ কাজ করছে। তারা প্রতিবছর প্রায় ২৬ বিলিয়ন ডলার রেমিটেন্স আয় করছে, যা আমাদের দ্বিগুণ। তাই আমাদরেকে দক্ষ শ্রমিক প্রেরেণের দিকে গুরুত্ব দিতে হবে।’

    অভিবাসন খাতে প্রচুর সমস্যা বা চ্যালেঞ্জ রয়েছে উল্লেখ হাসান আহমেদ বলেন, ‘অভিবাসন খাতের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা বা চ্যালেঞ্জসমূহ হচ্ছে; নতুন শ্রমবাজার তৈরি করতে না পারা, বিদেশগামী কর্মীদের প্রশিক্ষণের অভাব, প্রশিক্ষণ অবকাঠামোর অপর্যাপ্ততা, স্বল্পসুদে সরকারি-বেসরকারি ঋণ সুবিধার অভাব, লেবার রিসিভিং কান্ট্রিগুলোর খামখেয়ালিপণা অন্যতম।’

    তিনি বলেন, ‘জাতীয় বাজেটে অভিবাসন খাতে পর্যাপ্ত বরাদ্দ বৃদ্ধির মাধ্যমে আগামীতে অভিবাসন খাতের অগ্রগতি দেখতে চাই। বিশ্বের অধিকাংশ দেশেই ভূমি ও অবকাঠামোগত প্রাচুর্য থাকলেও পর্যাপ্ত জনশক্তির অভাব রয়েছে। তাই আমাদের প্রয়োজন, জনশক্তিকে জনসম্পদে রূপান্তরের মাধ্যমে দেশের টেকসই উন্নয়ন অব্যাহত রাখা।’

    এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক ড. মুস্তাফিজুর রহমান, জনশক্তি কর্মমসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) পরিচালক ড. মো. নুরুল ইসলাম প্রমুখ।

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    তাজমহলের আয় কত?

    ২১ জুলাই ২০১৬

    রেমিটেন্সে ধস

    ০৫ মার্চ ২০১৭

    আর্কাইভ

    সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫
    ১৬১৭১৮১৯২০২১২২
    ২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
    ৩০৩১