• শিরোনাম

    মার্কিন- ব্রাজিলকে হারিয়ে করোনা সংক্রমনে এগিয়ে ভারত

    ডেস্ক | শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২০ | পড়া হয়েছে 91 বার

    মার্কিন- ব্রাজিলকে হারিয়ে করোনা সংক্রমনে এগিয়ে ভারত

    করোনায় মৃত্যু এবং সুস্থতার হারে ভাল অবস্থানে থাকলেও দ্রুত সংক্রমণের ক্ষেত্রে আমেরিকা, ব্রাজিলকে টপকে গেল ভারত। সক্রিয় আক্রান্তের ক্ষেত্রেও দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে দেশ। উদ্বিগ্ন মোদি সরকার। ২০ লক্ষ পার করে গিয়েছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। যা নিয়ে সরকারকে চেপে ধরেছেন রাহুল গান্ধী। কটাক্ষের সুরে বলেছেন, ‘২০ লক্ষের পরিসংখ্যান পার/গায়েব হ্যায় মোদি সরকার।’ আগে যেখানে কেন্দ্র রীতিমতো আমেরিকা, ব্রাজিলের সঙ্গে তুলনা করে কৃতিত্বের ঢাক পেটাচ্ছিল, নিত্য বেড়ে যাওয়া সংক্রমণের সংখ্যা সবাইকে ছাড়িয়ে যাওয়ায় চিন্তায় পড়ে গিয়েছে স্বাস্থ্যমন্ত্রক। গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ৬২ হাজার ৫৩৮ জন, মারা গিয়েছেন ৮৮৬ জন।
    মাত্র ২১ দিনে ১০ লক্ষ থেকে বেড়ে সংক্রমণের সংখ্যা ২০ লক্ষ ছাড়িয়ে গিয়েছে। ডাবলিং রেট অর্থাৎ দ্বিগুণ সংক্রমণের হারের ক্ষেত্রে আমেরিকা, ব্রাজিলকে পিছনে ফেলে দিয়েছে ভারত। আমেরিকা এবং ব্রাজিলে যেখানে ডাবলিং রেট যথাক্রমে প্রায় ৬০ এবং ৩৫ দিন, ভারতে সেই হার অনেক দ্রুত। যদিও করোনার টেস্ট প্রতিদিন বাড়ছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত ২ কোটি ২৭ লক্ষেরও বেশি নাগরিকের করোনার টেস্ট হয়েছে। গত চারদিন পরপর ছ’ লক্ষেরও বেশি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। প্রতি ১০ লক্ষ জনসংখ্যায় গড়ে ১৬ হাজার ৫১৩ জনের নমুনা পরীক্ষা হচ্ছে। সুস্থ হয়ে ওঠার হারও পৌঁছেছে ৬৮ শতাংশে। মৃত্যু হার মাত্র ২.০৫ শতাংশ।
    রাজধানী দিল্লির অবস্থা আগের চেয়ে অনেক ভাল হলেও অন্ধ্রপ্রদেশ, কর্ণাটক, বিহার, উত্তরপ্রদেশের মতো কয়েকটি রাজ্য কেন্দ্রের কপালে ভাঁজ ফেলেছে। গোটা দেশের প্রায় ৩৮ শতাংশ আক্রান্তই এই রাজ্যগুলির মধ্যে ছড়িয়ে রয়েছে। উত্তর ভারত থেকে করোনা সংক্রমণের ঢেউ ক্রমশ পূর্ব এবং দক্ষিণে যাচ্ছে। ওদিকে মহারাষ্ট্র রয়েছে শীর্ষে। কেন সংক্রমণ এমন আচমকা বাড়ছে, সেখানকার স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় করোনা কতটা কাবু হচ্ছে, ইত্যাদি জানতে বিশেষ উদ্যোগ বাড়াচ্ছে কেন্দ্র।
    করোনার গতিবিধি বুঝে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার লক্ষ্যে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত ‘ন্যাশনাল ক্লিনিক্যাল রেজিস্ট্রি’ তৈরি করছে আইসিএমআর। নয়াদিল্লির এইমস, কলকাতার ইনস্টিটিউট অব পোস্ট গ্রাজুয়েট মেডিকেল এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ সহ ১৫ টি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান এই ব্যাপারে অগ্রণী ভূমিকা নিচ্ছে। করোনা সংক্রমণের রিয়েল টাইম ডেটা সংগ্রহ করে এই বিশেষ রেজিস্ট্রি তৈরি হবে। যা ভবিষ্যতে ভ্যাকসিন বাজারে এলে তার প্রয়োগের ক্ষেত্রেও দিশা দেখাবে।

    বাংলাদেশ সময়: ১১:০০ অপরাহ্ণ | শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২০

    eurobarta24.com |

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ