• শিরোনাম

    স্বভাব যায় না ম’লে

    ফারুক নওয়াজ | রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২০ | পড়া হয়েছে 164 বার

    স্বভাব যায় না ম’লে

    বৃহত্তর ফরিদপুর তথা দক্ষিণবঙ্গের (সমগ্র বাংলাদেশ) পুরোটাই এক সময় ছিলো হিঁদু জমিদারদের দখলে। সুকান্ত ভট্টাচার্যসহ অসংখ্য মানুষের আবাস ছিলো এ এলাকায়। কালের বিবর্তনে জমিদার বাবুরা চলে গেলেও তাদের সম্পত্তি সব দখল করেছে এক শ্রেনীর জেহাদী জোশে বলিয়ান বাঙ্গালী।
    বাংলাদেশ স্বাধীন হবার প্রায় অর্ধশতক পরও এ ধারা অব্যাহত রয়েছে। জমিদারদের রায়তরা সবাই নব্য জমিদার হবার চেষ্টা করছে।
    অতিসম্প্রতি সাবেক মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেনের ভাই এবং জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি খন্দকার মোহতেশাম হোসেন ওরফে বাবর এবং তার চেলা চামুন্ডাদের কর্মকান্ড সে সব কথা স্মরন করিয়ে দেয়।
    মন্ত্রীর ভাই হবার কারনে সে এলাকার গডফাদার হিসেবে আবির্ভুত হয়েছে। তার ছত্রছায়ায় এখানের ভুমিহীন দিন মজুররাও কয়েকশো বিঘা জমির মালিক হয়েছে।
    জমিদারদের হাতে লাঞ্ছিত পিতৃপুরুষদের রক্তের ঋণ শোধ করছে তারা জেহাদী জোশে বলীয়ান হয়ে।
    ফরিদপুরের রাজনীতিকে কলুষিত করতে বহিরাগতদের আগমন ঘটেছিল মন্ত্রীর ভাইয়ের হাত ধরে।মোহতেশাম হোসেন বাবর অবশ্য দেড় বছর ধরে ফরিদপুরে যান না। কেন যান না, তা নিয়ে নানা গল্প আছে। তবে ফরিদপুরে না গেলেও ঢাকায় বসে কলকাঠি নাড়তেন, কমিশনও নিতেন তিনি। বরকত-রুবেল সিআইডির কাছে দেওয়া জবানবন্দিতে বলেছেন, ‘বাবর চাচা’কে কমিশন না দিয়ে কাজ করা যেত না।
    ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সুবল সাহার বাড়িতে আক্রমন না হলে এতোসব খবর জানা যেতো না।
    একটা কথা পরিষ্কার স্বাধীনতা বিরোধীরা যেভাবে জিহাদী জোশে হিঁদুদের জমি ও নারী গনিমতের মাল হিসেবে ভাগ বাটোয়ারা করেছে সে ধারা এখনো বহাল আছে।
    স্বাধীনতা বিরোধী রক্ত যাদের শরীরে প্রবাহিত তারা কি কখনো অতীত ভুলতে পারে?

    বাংলাদেশ সময়: ৪:৪৭ অপরাহ্ণ | রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২০

    eurobarta24.com |

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ